ত্রাণের দুর্নীতি ধর‌তে দুদকের সব জেলা অফিস খোলা রাখার নি‌র্দেশ

২১১

 ময়নামতি ডেস্ক :

মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট দুর্যোগের সময় অসহায় দুস্থ মানুষের ত্রাণসামগ্রী নি‌য়ে অনেকেই হরিলুট করছেন। বি‌ভিন্ন জায়গায় ঘুষ বাণিজ্যও হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ জন্য সরকারের খাদ্যবান্ধব সামাজিক নিরাপত্তার বিভিন্ন কর্মসূচি পর্যবেক্ষণ ও দুর্নীতিবাজদের ধর‌তে জেলা পর্যায়ের সব অফিস খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ‌মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিষয়‌টি নি‌শ্চিত ক‌রে‌ছেন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা (পরিচালক) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য।

তিনি বলেন, ‘১৩ এপ্রিল দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে জেলা কার্যালয়গুলোতে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় সরকারের বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচিতে দুর্নীতির অনেক খবর গণমাধ্য‌মে আস‌ছে। এ সব খবর ও অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য এমন নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে একজন আসামি গ্রেফতারসহ দুটি মামলা দায়ের করেছে দুদকে।’

এ বিষয়ে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘কমিশন এ বিষয়ে আগেই সবাইকে সতর্ক করেছে। তারপরও যে বা যারা সরকারের সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচি ও ত্রাণসামগ্রী আত্মসাৎ করবেন তাদের প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে। বগুড়ায় শুরু হলো। যেখানেই অভিযোগ পাওয়া যাবে, সেখানেই আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।

’ এদি‌কে, ১৩ এপ্রিল খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ১০ টাকা কেজি দরে কার্ড বিতরণের নামে ঘুষ নেয়ার অভিযোগে এক ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্যকে গ্রেফতার করে দুদক। ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. সেকান্দার মিয়াকে পুলিশের সহায়তায় গ্রেফতার করা হয়।

এর আগে ওইদিন সকালে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার ওএমএস ডিলার মো. মশিউর রহমানের বিরুদ্ধে ত্রাণের ৭১০ কেজি চাল আত্মসাতের অভিযোগে অপর একটি মামলা করে দুদক। এছাড়া বিভিন্ন জেলায় ত্রাণসামগ্রী সংশ্লিষ্টরা লুট করছেন বলে খবর প্রকাশিত হয়।

আরো পড়ুন: