নারায়ণগঞ্জে জঙ্গিদের বোমা তৈরির ল্যাব গুঁড়িয়ে দিল কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট

১২০

নারায়ণগঞ্জে নব্য জেএমবির একটি বিস্ফোরক তৈরির ল্যাব গুঁড়িয়ে দিয়েছে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট।

এই ল্যাবে পাওয়া ইমপ্রোভাইসড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) ও বিস্ফোরক তৈরির উপাদান দেখে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট বলছে কমপক্ষে ২০টি শক্তিশালী বোমা বানানো যেত এসব সরঞ্জাম দিয়ে। যা আগের ঘটনায় ব্যবহৃত বোমার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।

গোয়েন্দা সূত্র মতে, ৬ থেকে ৭ মাস আগে থেকেই এই ল্যাবটি তৈরির প্রস্তুতি নিয়েছিল জঙ্গিরা।

সোমবার নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লা থানার শিহারচর তক্কার মাঠ এলাকায় ভোর থেকে বিকাল পর্যন্ত চলে এই অভিযান।

এ ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক একজন কর্মকর্তার দুই ছেলে ও পুত্রবধূকে। সহোদর ভাইয়েরা বাড়িটিকে বোমা তৈরির ল্যাব হিসেবে ব্যবহার করত বলে জানা গেছে, তবে সেখানে কেউ থাকত না।

অভিযানে মোট ৪টি শক্তিশালী বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয় করেছেন বোমা ডিসপোজাল টিম ইউনিটের সদস্যরা।

বাড়িটি থেকে বিপুল পরিমাণ বোমা তৈরির সরঞ্জাম, ইমপ্রোভাইসড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি), বিস্ফোরক তৈরির উপাদান, খেলনা পিস্তল, চাপাতিসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

দুপুর আড়াইটায় অভিযান শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, এখানে তিনটি রেডি আইডি, যেগুলো ব্যবহারের উপযোগী ও বেশকিছু বিস্ফোরক দ্রব্য, ক্যামিকেল এখানে সংরক্ষণ করা হচ্ছিল। এগুলো ধ্বংস করা হয়েছে।

তিনি বলেন, শুটিংয়ের জন্য ব্যবহৃত খেলনা বন্দুক, বিস্ফোরকের বোতল, আরও কিছু আলামত পাওয়া গেছে সেগুলো আমরা পরে বিস্তারিত জানাব।

মনিরুল ইসলাম বলেন, ঢাকা শহরে গত এপ্রিল থেকে যেকয়টি ঘটনা সংগঠিত হয়েছে। সে ঘটনার প্রাপ্ত আলামতের সঙ্গে এ আলামতের মিল রয়েছে। যারা গ্রেফতার হয়েছে তাদের কেউ কেউ এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে পরিকল্পনা থেকে শুরু করে সরাসরি বিভিন্ন পর্যায়ে জড়িত থাকতে পারে। তাই জিজ্ঞাসাবাদে তারা জড়িত আছে।

৫টি ঘটনায় কারা কারা জড়িত সেটা জানার চেষ্টা করছি। গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে বলে তিনি জানান।

আরো পড়ুন: