বাসি পচা মিষ্টি উল্টো বিক্রেতাকে খেতে দিয়ে শাস্তি

২০১

মিষ্টান্ন প্রতিষ্ঠান মরণ চাঁদ সুইটস। কয়েক দিনের বাসি মিষ্টি। পচে দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। তারপরও মিষ্টি ভালো বলে বিক্রি করা হচ্ছে। এসব দেখে প্রতিষ্ঠানটির মালিককে ওই মিষ্টি খেতে দেয়া হয়। দুর্গন্ধের কারণে খেতে না পারায় জরিমানা করা হয়। এছাড়া মেয়াদহীন কেক, বিস্কুট, পাউরুটি ও বাসি গ্রিল চিকেন বিক্রি, নোংরা পরিবেশে খাদ্যপণ্য তৈরি ও ফ্রিজে অস্বাস্থ্যকর পন্থায় রান্না করা মাংসের সঙ্গে কাঁচা মাছ, মাংস সংরক্ষণ করায় ৭ প্রতিষ্ঠানকে ৬৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

রোববার রাজধানীর মতিঝিল, যাত্রাবাড়ি, সুত্রাপুর ও ওয়ারী এলাকায় অভিযান চারিয়ে এসব জরিমানা করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। অভিযান পরিচালনা করেন অধিদফতের সহকারী পরিচালক আব্দুল জব্বার মণ্ডল।

jagonews24

তিনি জানান, সুত্রাপুর এলাকার মরণ চাঁদ সুইটসে কয়েক দিনের বাসি মিষ্টি বিক্রির জন্য রাখা হয়েছিল। পচে দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল। তারপরও বিক্রেতা বলছে ভালো মিষ্টি। তাই আমরা তাকে ওই মিষ্টি খেতে বলি। কিন্তু সে দুর্গন্ধের কারণে পুরো মিষ্টি খেতে পারেনি। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন না মেনে বাসি-পচা-মিষ্টি বিক্রি করায় মরণ চাঁদ সুইটসকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটিকে সতর্ক করা হয়।

মেয়াদহীন কেক বিস্কুট পাউরুটি ও বাসি গ্রিল চিকেন বিক্রি নোংরা পরিবেশে খাদ্যপণ্য তৈরি ও ফ্রিজে অস্বাস্থ্যকর পন্থায় রান্না করা মাংসের সঙ্গে কাচা মাছ, মাংস সংরক্ষণ করায় আরও ৬ প্রতিষ্ঠানকে ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এর মধ্যে মতিঝিল চন্দ্রপুরী হোটেলকে ৫ হাজার টাকা, আল ফারুক হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টকে ৫ হাজার টাকা, নিউ সামিয়া হোটেলকে ১০ হাজার টাকা, যাত্রাবাড়ির গণওচি কাবাব হাউজকে ২০ হাজার টাকা, সুত্রাপুর অলিম্পিয়া বেকারিকে ১০ হাজার টাকা, মরণ চাঁদ সুইটসকে ১০ হাজার টাকা এবং ওয়ারীর তন্দুর মিনি চাইনিজকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

আরো পড়ুন: