ভালো নেই কুমিল্লার দশ সহস্রাধিক মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন

৫৪

বেতন না পেয়ে কষ্টে দিন কাটছে কুমিল্লার ১০সহস্রাধিক মসজিদের ইমাম,মুয়াজ্জিন ও খাদেমের। মসজিদে মুসল্লিদের থেকে চাঁদা নিয়ে ইমাম মুয়াজ্জিনের বেতন ভাতা দেন মসজিদ কমিটি। এখন করোনার কারণে মসজিদে কমেছে মুসুল্লি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা জেলায় ১০ হাজার ১৬৫ টি মসজিদ আছে। অধিকাংশ মসজিদে ইমামদের বেতন ভাতা দেয়া হয় মুসল্লিদের দেয়া অর্থে।
নাম না প্রকাশ করার শর্তে অন্তত ৫০ জন ইমাম ও মুয়াজ্জিন বলেন, আমরা অন্যের বাড়িতে খাবার খেয়ে দিন পার করছি। তবে সবাই এখন দাওয়াত দেন না। কিন্তু আমাদের বাড়িতে মা-বাবা, স্ত্রী-সন্তান আছে। টাকা না পাঠালে তারা কি খাবে। এখন মুসল্লি নেই, বেতনও পাচ্ছি না।
করোনা সংক্রমণের এই সময়ে ইমাম মুয়াজ্জিনের বিষয়ে সরকারি সম্মানীর প্রয়োজন আছে বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিক

তিনি জানান, ইমাম মুয়াজ্জিনের বিষয়টি মানবিক। এক্ষেত্রে জেলা উপজেলা প্রশাসনের পাশাপাশি মসজিদ কমিটিরও পদক্ষেপ প্রয়োজন।
নগরীর কান্দিরপাড়, দারোগাবাড়িসহ আরো কয়েকটির এলাকার মসজিদের ইমামরা জানান, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের থেকে তালিকাভুক্ত কিছু মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনের জন্য সম্মানীর ব্যবস্থা আছে।

তবে সব মসজিদের ইমামদের জন্য এ রকম ব্যবস্থা নেই।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন কুমিল্লার উপ-পরিচালক সরকার সারোয়ার আলম জানান, সরকারি ভাবে কোন মসজিদের ইমাম মুয়াজ্জিনকে সম্মানী দেয়া হয় না। তবে আমাদের একটা গণশিক্ষা প্রকল্প আছে। যেসব মসজিদে আমাদের এই প্রকল্পটা চলে তাদেরকে একটা সম্মানী দেয়া হয়।

এছাড়াও যাকাত ফা- থেকে কিছু সহযোগিতা করা হয়। এই সময়ে সরকারি সহযোগিতার কোন পরিকল্পনা আছে কি না জানতে চাইলে তিনি জানান, এক্ষেত্রে মসজিদ কমিটি উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতা চাইতে পারে।

আরো পড়ুন: