শেখ হাসিনা নিজগুণে মানুষের মন জয় করে নিয়েছেন : সেতুমন্ত্রী

৯৮

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘অপরাধ করে আওয়ামী লীগ নেতারাও ছাড় পাচ্ছে না। বিএনপি যেটা পারেনি আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেটি পেরেছেন। প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতিবাজ-চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছেন।’

তিনি আজ সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চেীধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৩তম জন্মদিন উপলক্ষে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ৭৩ জন শিক্ষার্থীকে বিশেষ বৃত্তি ও বই প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপ-কমিটি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী বাংলা বিভাগের ৭৩ জন মেধাবী শিক্ষার্থীর প্রত্যেককে ১০ হাজার করে টাকা এবং শেখ হাসিনা রচিত ৫টি করে বই প্রদান করা হয়।

বিএনপিকে আত্মস্বীকৃত দুর্নীতিবাজ হিসেবে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, তারা (বিএনপি) দলের গঠনতন্ত্রের ৭ ধারা তুলে দিয়ে দন্ডিত ব্যক্তিদের দলের নেতা নির্বাচিত করেছেন। একসময় হাওয়া ভবন করে তারা দুর্নীতির রাজত্ব করেছিল।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে দুর্নীতির সমালোচনা মানায় না বলেও জানান তিনি।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন,‘রাজনীতিকদের বর্তমান চিন্তা পরবর্তী নির্বাচন আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চিন্তা হচ্ছে নতুন প্রজন্মের ভাগ্যের উন্নয়ন। কারণ শেখ হাসিনা দেশ ও দেশের মানুষের জন্য রাজনীতি করেন। সেজন্য তাঁকে আমরা রাষ্ট্রনায়ক বলি। শেখ হাসিনা বাঙালির আস্থার ঠিকানা।

তিনি একজন দক্ষ এবং সাহসী সফল প্রধানমন্ত্রী। একজন সফল কূটনীতিক এবং সৎ প্রধানমন্ত্রীর নাম শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা নিজগুণে মানুষের মন জয় করে নিয়েছেন। তাঁর মৃত্যু নেই।’

বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি করার জন্য ছাত্রলীগের প্রতি আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ছাত্রলীগ যেন খারাপ সংবাদের শিরোনাম না হয় সেজন্য ছাত্রলীগকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি করতে হবে। রাজনীতিতে সৌজন্যবোধ থাকতে হবে কিন্তু বর্তমানে সেটি নেই।

ছাত্রলীগকে সৌজন্যবোধের রাজনীতির ধারা ফিরিয়ে আনতে হবে।’আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপ-কমিটির চেয়ারম্যান এএফএম ফখরুল ইসলাম মুন্সীর সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান, জাতীয় অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম, জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান ড. ভীষ্মদেব চৌধুরী প্রমুখ বক্তৃতা করেন।

উপ-কমিটির সদস্য সচিব ও আওয়ামী লীগের ত্রান ও সমাজকল্যান সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।

 

আরো পড়ুন: